মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চাটার

১৯৫৫ সালে বার ভূইয়াদের নেতা ঈসা খার মূত্যুর পর মোঘল সম্রাটের সেনাপতি মানসিংহ বার ভূইয়াদের দমন করার জন্য গজরল খাকে প্রেরণ করেন । এই যুদ্দে গজরল খার মূত্যুর পর তার দুই পুত্র ইস্পিঙ্জার খা ও মনোয়ার খা রাজা যশোধর সিংহের দুই পুত্র ইস্পিঙ্জার খা ও মনোয়ার খা রাজা যশোধর সিংহের দুই কন্যাকে বিয়ে করে  প্রথমে সেনাবাড়ী ও পরে আমনগ্রাম নামক স্থানে (বর্তমান ধনবাড়ী উপসজলার অন্তরগত ) পরীখা নির্মাণ করে বসবাস করতে থাকেন।এই গ্রাম নিরাপদ নয় বলে ভাবিয়া পরে ইস্পিঞ্জারপুরে শক্তিশালী পরিখা তৈরী করেন ।এদিকে ফলদার রাজা যশোধর ইস্পিঞ্জার ও মনোয়ার খাকে পরাস্থ করতে ব্যার্থ হয়ে দিল্লীশ্বরের শরানাপন্ন হন ।দিল্লীর মোঘল সুবাদার ইসলাম খা ইস্পিঞ্জার খা ও মনোয়ার খাকে দিল্লী তলব করেন । পরে রাজা যশোদর সিংহের কন্যাদ্বয় এবং খা ভ্রাতৃদ্বয়ের ব্যাবহারে মুগ্ধ হয়ে খা ভ্রাতৃদ্বয় কে মুক্তি দেন এবং পুকুরিয়া পরগনার দায়িত্ব দেন ।

পুকুরিয়া পরগনা দখল করার পর খাঁ ভ্রাতৃদ্বয় মোঘল অধিকার রক্ষায় শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়িয়া তোলেন ।মোগল বাদশাহের নির্দেশে তাহারা তখন ধনপত সিংহের রাজধানী স্থাপন করিয়া বসবাস করিতে থাকেন ।ধনপত নামের ঐতিহ্যকে ধরে রেখেই টাংগাইলের মাটি মহাকালের অমর গৌরব গাথা বক্ষে ধারন করে আদিকাল হতে সারা দেশে আলোচিত হচ্ছে ”ধনবাড়ী”

 

ঐতিহ্যবাহী ধনবাড়ীতেই ১৯৯৬ সালের ১২ আগষ্ট ২৪.৮৯ বর্গ কিলোমিটার অধ্যুষিত এলাকা নিয়ে ধনবাড়ী পৈারসভা ।যাহার বর্তমান লোকসংখ্যা ৩৬,১২৫